তারপর আবার আরো যদি হয় তবে কেন অন্তত আবার নয় - বেলায়েত মাছুম তারপর আবার আরো যদি হয় তবে কেন অন্তত আবার নয়

তারপর আবার আরো যদি হয় তবে কেন অন্তত আবার নয়

ওল্ডহামের এক বয়স্ক বৃদ্ধ পুরুষ দেশে গিয়ে বিয়ে করে ফিরেছেন। এটা তিনি করতেই পারেন, শুনে আশ্চর্য হইনি, এমন ঘটনা ঘটছেই। লোকটার ছয়জন ছেলে মেয়ে আছে, বউ আছে, তবুও উনি বিয়ে করতেই পারেন। উনি কম বয়সী এক তরুণীকে বিয়ে করেছে, টাকা আর যৌবন থাকলে তিনি তা করতেই পারেন। দেশে অনেক পরিবারই সচেতন না, কিংবা লোভে পড়ে যায়। টাকা ওয়ালা বৃদ্ধ আর সে যদি হয় বিলেত ফেরত তাহলে তো আর কথাই নেই, কম বয়সী কন্যাকে সুন্দর ভবিষ্যতের আশায় বিয়ে দেয়াই যায়। এ সবই পুরনো আরো ঘটনার মতো, তবে এখন শুনা যাচ্ছে বৃদ্ধ লোকটার স্ত্রীও বলে বেড়াচ্ছেন যে তিনিও আগ্রহী পুরুষ পেলে বিয়ে করবেন এবং তার ছেলে-মেয়েরাও তাকে সমর্থন করছেন। একজন বৃদ্ধ বয়স্ক পুরুষ যদি আবার, তারপর আবার বিয়ে করতে পারে তাহলে নারীরও অন্তত আবার বিয়ে করতে পারা কিংবা সেই মানসিকতা রাখতে পারা উচিৎ।


আমি যেখানে কাজ করি প্রায়দিনই একজন অসুস্থ লোক আসেন। উনি চলতে পারলেও কোন কাজ করতে পারেন না। স্ত্রীকেই সংসার টানতে হয়। প্রায়ই কথা বলতে বলতে তিনি স্ত্রী প্রসঙ্গ আনেন যে সংসারে আর আগের মতো উনার গুরুত্ব নেই। আমি ভাবি যদি উল্টো হতে তাহলে কেমন হতো? হয়তো পুরুষ স্বামীটি সংসার চলছেনা অজুহাতে আবার বিয়ে করতো কিংবা মানবিক কারণে সংসারে মন দিত। এখানে প্রেম ভালবাসার প্রসঙ্গ আনছি না কারণ প্রবাসীদের সংসারে এ জিনিস নেই বললেই চলে।

মি. X অনেক দন যাবত মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত। মাথায় ঠিক ঠাক কাজ না করলেও নিজের স্বার্থগুলো ঠিকই বুঝেন। পরিবারে শান্তি নেই, বিনা কারণেই অশান্তির সৃষ্টি করেন। যদি এমন হতো যে,  মিসেস Y দীর্ঘ দিন ধরে অসুস্থ আর তিনি সংসারে অশান্তি করেই যাচ্ছেন তাহলে আমি নিশ্চিত যে মি. X কে তার পরিবারের সদস্যরা আবার বিয়ে করতে চাপ দিত আর উনিও আবার বিয়ে করতেন।

আর পুরুষকে আবার, তারপর আবার আরো বিয়ে করার সনদ দিতে ধর্মতো আছেই।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ